সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেনের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর আবেদনের পর দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দলীয় গঠনতন্ত্র অনুসারে ইকবাল হোসেনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাঁকে পুনরায় দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’
এর আগে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ইকবাল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
ওই ঘটনার দীর্ঘ ১১ মাস পর ইকবাল হোসেনের আবেদন বিবেচনায় নিয়ে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে নিল বিএনপির নীতি-নির্ধারনী ফোরাম হলো।
এদিকে বহিস্কারাদের প্রত্যাহার করায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ দলের নীতি-নির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইকবাল হোসেন। ইনসাইট নারায়ণগঞ্জকে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রজীবন থেকেই এই দলের হয়ে আমি রাজনীতি করে যাচ্ছি। দলের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমি সর্বদাই রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। এতে করে আমাকে অনেক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। মাসের পর মাস জেল খেটেছি। আওয়ামী লীগের দ্বারা বারংবার হামলার শিকার হয়েছি। পারিবারিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে নির্যাতিত ও নিগৃহীত হয়েছি। এরপরও দলকে ভালোবেশে সর্বদাই রাজপথে ছিলাম এবং এখনো আছি। এই দলের জন্য নির্যাতিত কর্মী হতে পেরে আমি গর্বিত। আমাকে পূনরায় দলে ফিরিয়ে নেয়ায় আমি আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সহ দলের সিনিয়র সকল নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি অতীতে যেভাবে দলের জন্য নিবেদিত ছিলাম, আগামীতেও তেমনই দলের জন্য কাজ করে যাবো। দলের আদর্শ বুকে ধারণ করে দলের ভাবমূর্তি উজ্জল করতে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।’





