বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার লক্ষ্যে প্রতিদিনই নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি নির্বাচনী এলাকায় কাজ করে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। দিন রাত ছুটে চলেছেন জেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তরে। যেখানেই যাচ্ছেন, সেখানেই পৌছে দিচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফার রাষ্ট্র মেরামতের বার্তা সমূহ। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের একাধারে তিন তিনটি ওয়ার্ডের পথঘাট চষে বেড়িয়েছেন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির অন্যতম আলোচিত এই নেতা।
বক্তাবলীতে ৩১ দফার লিফলেট বিতরণকালে ৩টি ওয়ার্ডে পৃথক তিনটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসকল সভাগুলোতে গিয়াস উদ্দিন বিএনপির গৌরবোজ্জল অতীত শাসনকাল এবং আগামী দিনের পরিকল্পনাগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তুলে ধরেন রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক উদ্ভাবিত ৩১ দফার আদ্যপান্ত। সেই সাথে এর সুফলগুলোও তিনি একে একে বর্ননা করেন উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মী এবং এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের মাঝে।
এসময় গিয়াস উদ্দিন বলেন, “বিএনপির মনোনীত প্রার্থীদের বিজয়ী করার লক্ষ্যে প্রতিদিনই নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছি। দেশের মানুষ সত্যিকারের সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। ধানের শীষে ভোট দিয়ে তারা বিএনপিকে জয়ী করতে চায়। কারণ দেশের মানুষের বিশ্বাস, ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাংলাকে উন্নয়নের শিখরে তুলতে পারে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী দল বিএনপি। আমাদের তিনবারের রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। সুযোগ পেলে আমরা আপনাদের সকল প্রত্যাশা পূরণ করব।”
তিনি আরও বলেন, “মানুষ প্রচেষ্টাকারী, ভাগ্য বিধাতার হাতে। আমার ভাগ্য আছে, তাই আমি মানুষের কল্যাণে কাজ করছি এবং আগামীতেও করে যাব ইনশাআল্লাহ। যতদিন বেঁচে থাকবো, আপনাদের প্রতিনিধি হই বা না হই, আমি মানুষের সেবা করে যাব। আপনাদের ভালোবাসায় আমি ঋণী; আমার পরবর্তি প্রজন্মও আপনাদের ঋণ পরিশোধে কাজ করবে। এটি আমাদের বংশ পরম্পরায় অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ।”
সভায় উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ মোল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি জি.এম. সাদরিল, ফতুল্লা থানা সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন খন্দকার শিপন, হাজী বিল্লাল হোসেন, লোকমান হোসেন, হাসান মাহামুদ পলাশ, মঈনুল হোসেন রতন, হাসান আলী, আলমগীর হোসেন, মাহাবুবুর রহমান সুমন, আশিক মাহমুদ সুমন ও ফয়সাল আহম্মেদ প্রমুখ।





