বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেছেন, “আমরা আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের দিক নির্দেশনায় ১৬ বছর রাজপথে আন্দোলন করেছি। গুম, খুন, হত্যা মামলাসহ যত ধরনের নির্যাতন ছিল সবই স্বৈরাচার করেছে। আমরা ভয় পাইনি। স্বৈরাচারের অত্যাচার উপেক্ষা করে দেশের মানুষের স্বার্থে আন্দোলন করেছি। ৫ আগস্ট স্বৈরাচারের পতন ঘটেছে, স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে। এখন মুক্ত স্বাধীন দেশ। মানুষ চায় ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনুসরণ করে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হোক, মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হোক। স্বৈরাচার সবকিছু ধ্বংস করেছে।”
বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ২নং ওয়ার্ডের মিজমিজি দক্ষিণপাড়া আমজাদ মার্কেট এলাকায় ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গিয়াস উদ্দিন বলেন, “আমরা ১৬ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে ছিলাম। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা প্রতিবাদ করেছি। তিনবার নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার খর্ব করা হয়েছে। তারা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে পছন্দমত ব্যক্তিকে নির্বাচিত হতে দেননি। জবর দখল করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকেছেন। ক্ষমতায় থেকে দেশের অর্থ-সম্পদ লুটপাট করা হয়েছে। চোর-ডাকাতের মতো চুরি ও ডাকাতি করে অর্থ-সম্পদ বিদেশে পাচার করা হয়েছে। স্বৈরাচারের সহযোগীরা অবৈধ সম্পদের পাহাড় তৈরি করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রিয় নেতা তারেক রহমান বুঝতে পেরেছিলেন স্বৈরাচারের পতন একদিন আসবেই। ক্ষমতায় থাকা অবৈধ কর্মকা-, ব্যাংক লুট, শিল্প-কলকারখানা ধ্বংস, শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস, বিচারপ্রতিষ্ঠানে বাধা- সবকিছু তিনি আগেভাগে দেখেছেন। এখন দেশের মানুষ চায় ভোটের অধিকার ব্যবহার করে স্বাধীনভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের মানুষকে নির্বাচিত দেখাতে।”
পথসভায় নাসিক ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোক্তার হোসেন ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীনের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এমএ হালিম জুয়েল, সহ-সভাপতি জিএম সাদরিল, মোস্তফা কামাল, সেলিম মাহমুদ, ডিএইচ বাবুল, রওশন আলী, এ্যাড. মাসুদুজ্জামান মন্টু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক কামরুল হাসান শরীফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ডা. মাসুদ করিম, জেলা কৃষকদলের সাবেক সদস্য সচিব কায়সার রিফাত, মহানগর যুবদলের সদস্য শহিদুল ইসলাম, কৃষকদল নেতা নাছির প্রধান, ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সুবেদ আলী, যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সোলাইমান পলাশ, সদস্য হাজী শহীদুল্লাহ, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তৈয়ব হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ভূইয়া, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি একেই হিরা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন রনি প্রমুখ।





