স্টাফ রিপোর্টার : ফ্ল্যাটে নারী নিয়ে মাদক সেবন কালে ধরা পরার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পরাকে ঘিরে মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব সাহেদ আহমেদকে নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। রোববার (১ মার্চ) একটি ফেসবুক পেইজে এই ভিডিওটি আপলোড করা হলে সাহেদকে ঘিরে ব্যপক চাঞ্চল্য শুরু হয়। তবে বিতর্কিত ওই ভিডিওটির প্রকৃত স্থান এখনো পর্যন্ত সনাক্ত করা যায়নি।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, ফ্ল্যাটের একটি রুমের মধ্যে এক নারী সহ কয়েকজন যুবক মাদক সেবন করছিল। সেখানে ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম দেখা যায়। মাদক সেবন কালে ধরা পরা ওই ভিডিওতে মহানগর যুবদলের সদস্য সাহেদ আহমেদ রয়েছে বলে নেটিজেনদের বড় একটি অংশ দাবি করলেও সাহেদ এবং তার সমর্থকরা বিষয়টি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন। এমনকি সাহেদ নিজে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছেন।
তার দাবি, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন এবং সেখানে থাকা ওই নারী কিংবা অন্য যুবকদের কাওকেই তিনি চেনেন না। জিডিতে সাহেদ বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে ব্যক্তিগত সম্মানহানী ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে একটি মহল।
অন্যদিকে, ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। অনেকে সাহেদকে নিয়ে সমালোচনায় মত্ত হন। ভিডিওটিতে সাহেদ মাদক সেবনকালে ধরা পড়েছেন বলে নানা বিরুপ মন্তব্য করতে দেখা যায় নেটিজেনদের।
উল্লেখ্য, ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে নারায়ণগঞ্জে আলোচনায় আসেন সাহেদ আহমেদ। তিনি ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি। বর্তমানে মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব পদে আছেন তরুণ এই রাজনীতিবীদ। রাজনীতির পথচলায় সাহেদ যেন জোয়ার ভাটার আদলেই কখনো আলোচনা আবার কখনো থাকেন সমালোচনায়। এবার মাদক সেবনের সময়কালে ধরা পরার একটি ভিডিও ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্কে জড়ালো সাহেদের নাম। এতে বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের অনেকের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।




